হোম

শুক্রবার, ১৩ জানুয়ারি, ২০১২

চিকিৎসাবিজ্ঞানে সংগীত

মিউজিক ডটকম :: আধুনিক চিকিৎসাবিজ্ঞান বলতে আমরা বুঝি হরেকরকম সার্জারি, নানারকম টেস্ট। চিকিৎসা ব্যয় ও ওষুধের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ার ফলে চিকিৎসাবিজ্ঞানের পাশাপাশি বিকল্প চিকিৎসা নিয়ে গবেষণা চলছে। যার বেশ কিছু সুফল ইতোমধ্যেই পাওয়া গেছে। পশ্চিমা বিশ্বে বিকল্প চিকিৎসার মধ্যে মিউজিক থেরাপি বিশেষ অবদান রেখে চলেছে। এ ছাড়া সংগীতের মনোদৈহিক প্রভাবের কারণে চিকিৎসাবিজ্ঞানীরা একে বিকল্প চিকিৎসার একটি অন্যতম সেরা উপায় হিসেবে চিহ্নিত করেছেন। মিউজিক থেরাপি এখন সব বয়সের মানুষের বিভিন্ন শারীরিক ও মানসিক সমস্যা নিরাময়ে ব্যবহৃত হচ্ছে।

শারীরিক উপকার হিসেবে : মস্তিষ্ককে ঠাণ্ডা রাখে, হৃৎপিণ্ডকে শান্ত রাখে, মাংসপেশীর চাপ কমায়, aবিভিন্ন শারীরিক কাজে দক্ষতা বাড়ায়।

মানসিক উপকার হিসেবে : মানসিক ভারসাম্য বজায় রাখে, মনোযোগ বাড়ায় ও স্মরণশক্তি বৃদ্ধি করে, শেখার এবং সৃজনশীল ক্ষমতা বেড়ে যায়। আবেগজনিত উপকার সংগীত চিকিৎসা করে থাকে। আপনার নেতিবাচক আবেগ, দুঃখ, ভয়, হতাশা ও বেদনা দ্রুত হ্রাস করতে সাহায্য করে। এ ছাড়া চেপে রাখা কষ্ট বা অবদমিত আবেগকে বের করে মনকে হালকা করে দেয়। সংগীতচিকিৎসা কাজ করে নেপথ্য স্পন্দনের মাধ্যমে। সংগীত মানবদেহের কোষে একটি স্পন্দন তৈরি করে। এই স্পন্দন একজন অসুস্থ ব্যক্তির দেহে একটি ইতিবাচক নিরাময় তরঙ্গ সৃষ্টি করে। এর ফলে শরীরে বিভিন্ন কোষের কার্যক্ষমতা বেড়ে যায়। ফলে তিনি দ্রুত নিরাময় লাভ করেন। স্নায়ুকোষগুলো উদ্দীপ্ত হয় এবং রক্তপ্রবাহকে বাড়িয়ে দেয়।